প্রবাস

‘অতি জরুরি প্রয়োজন’ হলে পাসপোর্টের আবেদন নেওয়া হচ্ছে

‘অতি জরুরি প্রয়োজন’ হলে পাসপোর্টের আবেদন নেওয়া হচ্ছে






করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে চলাচলে কঠোর বিধিনিষেধ থাকলেও জরুরি সেবা হিসেবে সীমিত আকারে পাসপোর্ট সংক্রান্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। জরুরি প্রয়োজনে যাদের পাসপোর্ট প্রয়োজন, তাদের আবেদনও জমা নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি আগে জমা দেওয়া আবেদনের বিপরীতে গ্রাহককে পাসপোর্টও সরবরাহ করা হচ্ছে।



পাসপোর্ট অধিদপ্তর সূত্র জানায়, লকডাউন চললেও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালু রয়েছে। এজন্য অনেকেরই অতি জরুরি হিসেবে পাসপোর্ট নবায়ন ও ভিসা সংক্রান্ত ঝামেলা পোহাতে হতে পারে।



বিষয়টি মাথায় রেখে সীমিত আকারে পাসপোর্টের আবেদন ও সরবরাহ করা হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে জরুরি ও অতি জরুরি ক্যাটাগরিতে পাসপোর্টের আবেদন জমা নেওয়া হচ্ছে।



ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদফতরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আইয়ূব চৌধুরী সমকালকে বলেন, ‘যারা নিজেদের জরুরি বিষয়টি প্রমাণ করতে পারছেন, কেবল তাদের আবেদনই গ্রহণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি যারা পাসপোর্ট অফিসে পৌঁছতে পারছেন, তাদের আবেদনের বিপরীতে পাসপোর্ট সরবরাহ করা হচ্ছে।’



মহাপরিচালক আরও বলেন, ‘করোনাভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে বিধিনিষেধ চলছে। এই বিধিনিষেধের আলোকে পাসপোর্ট ও ভিসা সংক্রান্ত কার্যক্রমও চলছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে পুরোদমে আবেদন গ্রহণ ও পাসপোর্ট সরবরাহ করা যাবে।’



অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয়ের একজন কর্মকর্তা সমকালকে বলেন, ‘ই-পাসপোর্টের আবেদনে এক মেশিনে একাধিক ব্যক্তিকে চোখের মণি ও আঙুলের ছাপ দিতে হয়। পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে আবেদনকারীকে খুব কাছ থেকে যাচাই করেন কর্মকর্তারা।



এতে উভয়ের ঝুঁকি থেকে যাচ্ছে। এরপরও মানুষের অতি জরুরি প্রয়োজনের বিষয়টি মাথায় রেখে আবেদন জমা নিতে তারা চেষ্টা করে যাচ্ছেন। এজন্য যাদের এখনই পাসপোর্ট প্রয়োজন নেই, তাদের আবেদন গ্রহণ করার সুযোগও নেই।’



তিনি আরও বলেন, ‘চলমান লকডাউনের মধ্যেও অধিদফতরের প্রধান কার্যালয়ের সব শাখার দাপ্তরিক কার্যক্রম সীমিত পরিসরে চলমান রয়েছে।



এছাড়াও আগারগাঁও পার্সোনালাইজেশন সেন্টার ও উত্তরায় পার্সোনালাইজেশন কমপ্লেক্স, ই-পাসপোর্ট প্রিন্টিং ও বেসিক ক্লিয়ারেন্স শাখার কার্যক্রম স্বাস্থ্যবিধি মেনে চালু রয়েছে। পাশাপাশি সব বিভাগীয় ও আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে পাসপোর্টের বিতরণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে।’

সংশ্লিষ্ট খবর

Back to top button